কাঁকনকে কৌশিকীর বুকে ফিরিয়ে দিল জগদ্ধাত্রী, এবার সবাইকে হাতেনাতে ধরার প্ল্যান করে ফেললো তারা!

রোজ নতুন নতুন চমক দর্শকদের উপহার দিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri) ধারাবাহিক। ধারাবাহিকটি এই মুহূর্তে আর পাঁচটা ধারাবাহিকের তুলনায় নিজেকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং আধুনিক প্লটে সমৃদ্ধ করেছে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকের টিআরপি একেবারে তুঙ্গে। ৮ থেকে ৮০ প্রত্যেকটি দর্শকের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে ধারাবাহিকের নায়িকা জগদ্ধাত্রী।
বর্তমানে গল্প অনুযায়ী, একটু একটু করে কেটে যাচ্ছে সমস্ত ধোঁয়াশা। এতদিনের সবটা জলের মতন পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে জগদ্ধাত্রীদের কাছে। সমস্ত অপরাধীদের নাগালে পেয়েছে সে। কিন্তু এর মাঝেই ফের কাঁকনের সর্বনাশ ঘটাতে যাচ্ছিল উৎসব। যেটা আগের থেকেই জানতে পেরে যায় স্বয়ম্ভু জগদ্ধাত্রী। তাই কোন ক্ষতি করার আগেই কৌশিকীর মেয়েকে বাঁচাতে সেখানে হাজির হয়ে যায় তারা।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই কাঁকনকে উদ্ধার করে ফেলে জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভু। গুন্ডাদের সঙ্গে মাঝ রাস্তায় মারপিট করে বাচ্চাটাকে উদ্ধার করে তারা। শুধু তাই নয়, সেই লোকটিকেও তারা পাকড়াও করে, যে কাঁকনকে সাথে করে নিয়ে যাচ্ছিল। এরপর তারা সোজা চলে আসে কৌশিকীর কাছে। নিজের মেয়েকে দেখতে পেয়ে খুব খুশি হয়ে যায় কৌশিকি। কাঁকনও নিজের মাকে পেয়ে অনেক খুশি। বহুদিন পর নিজের মায়ের ছোঁয়া পেল কাঁকন। সে তার মাকে এসে বলে জগদ্ধাত্রী তাকে বাঁচিয়েছে।
জগদ্ধাত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানায় কৌশিকী। এরপর সে বলে, “আমার কাছে পাকা খবর আছে আগামী সপ্তাহে একটা বড় পার্টি করছে ওরা। সেখানে সবাই উপস্থিত থাকবে আর ওই দিনই ক্ষমতা হস্তান্তরিত হবে। ঐদিন কি আমাদের সবার সামনে যেতে হবে। আর লুকিয়ে থাকা চলবে না। এইবার সময় এসে গেছে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার। আর এক মুহূর্ত ওদের বাইরে রাখা যাবে না। তার আগে শুধু এটা জানতে হবে যে আমাকে কে গুলি করতে চেয়েছিল।” জগদ্ধাত্রী কথা দেয় তার আগেই সে সেই খবর এনে দেবে তার কাছে।
এরপর দেখা যায় চন্দ্রনাথ এবং দেবু দুজন মিলে উৎসবকে বলে, “আমাদের কোম্পানিতে কি পজিশন হবে মাস গেলে আমরা কত টাকা পাবো সেই সবটা আমাদেরকে বুঝিয়ে দিতে হবে। তুমি যা ধুরন্ধর তাতে তোমার ওপর ভরসা করা চাপ। যদি শেষে গিয়ে আমরা কিছু না পাই তাহলে আমরা কিন্তু চুপ থাকবো না।” দেবু যে উৎসবকে হুমকি দিচ্ছে সেটা খুব ভালো করেই বুঝতে পারে সে। অন্যদিকে সে গুন্ডার থেকে জগদ্ধাত্রী জানতে পেরে যায় এই সব কিছুর পেছনে ছিল উৎসব। এরপর উৎসবকে ওই গুন্ডা মারফত ফোন করিয়ে এটা বলা হয় যে কাঁকন তাদের হেফাজতেই আছে অর্থাৎ কাজ সফল হয়েছে। এদিকে উৎসব বেশ নিশ্চিন্ত হয়ে যায়। ঠিক তখনই কাঁকনের হোস্টেলের নাম করে উৎসবকে আবারও ফোন করা হয় বিভ্রান্ত করার জন্য। আর উৎসব সেখানে উত্তেজিত হয়ে বলে ফেলে কাঁকনকে কোনও হোস্টেলে পাঠানোই হয়নি। এই স্বীকারোক্তিটাই দরকার ছিল জগদ্ধাত্রীর।

