“সেই আগুনেই তুই পুড়বি”- ইশার দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লো পর্ণা! কৃষ্ণাকে উচিত শিক্ষা দিয়ে মুখ বন্ধ করল সে!

অন্যায় সহ্য না করে উচিত কথা যারা মুখের ওপর বলতে পারে তাদেরকে বেশি পছন্দ করেন দর্শক মহল। আর ঠিক সেরকমই একটা মেয়ে হল জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। এই ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছে অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা এবং নায়কের চরিত্র দেখা যাচ্ছে রুবেল দাসকে। ধারাবাহিকের নায়িকা বেশ শক্তিশালী একটি চরিত্রে রয়েছে। একেবারেই অন্যায় মেনে নিতে পারে না সে। তার যখন মাথার তার কেটে যায় তখন একেবারে রণচন্ডী মূর্তি ধারণ করে পর্ণা। এইবার সমস্ত সহ্যের সীমা পেরিয়ে গিয়েছে নায়িকা।
আরো পড়ুন: জিষ্ণু নিজের ভালোবাসার কথা জানালো গিনিকে! নীল বাড়ি ফিরলো মেঘের সাথে সব সম্পর্ক ঘুচিয়ে দিতে!
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন দুজনে মিলে একটু একটু করে যে শাড়ির কথা আর ব্যবসাটাকে দাঁড় করিয়েছিল, নিজেদের রক্ত জল করা পরিশ্রমের পুঁজি দিয়ে সমস্ত কিছু সুন্দর করে সাজিয়েছিল, সে সবকিছু আগুন লাগিয়ে তছনছ করে দিয়েছে ধারাবাহিকের বর্তমান ভিলেন ইশা সেনগুপ্ত। তার কালো ছায়া অতিষ্ঠ করে তুলেছে গোটা দত্ত বাড়ির জীবনকে। তবে পর্ণাও হার মেনে নেওয়ার পাত্রী নয়। সহ্যের সীমা ভেঙে গিয়েছে তার। এখন আসল অপরাধীদের শাস্তি দেবে সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পুলিশের কাছে কমপ্লেন করতে গেলে পুলিশ তাদেরকে বলে, এটাতো তাদের বোকামো। ফায়ার ইন্সুরেন্স না করিয়ে গোডাউনে জিনিসপত্র তোলা কোন বুদ্ধিমান মানুষের কাজ নয়। এখন এত বড় ঘটনাটা ঘটে গিয়েছে তার দায় তো আর কেউ নেবে না। কিন্তু এর পাশাপাশি পুলিশ এটাও বলে, কেউ ইচ্ছে করে পরিকল্পিতভাবে কেরোসিন ছড়িয়ে আগুনটা লাগিয়েছে। পর্ণা বুঝা যায় এটা কার কাজ। সঙ্গে সঙ্গে সে চলে যায় ইশার বাড়িতে। তার মুখে জল ছুড়ে মেরে আসল সত্যিটা নির্ভীকভাবে বলে। কিন্তু ইশা এমন একটা ভান করে যেন সে কিছু জানতোই না। পর্ণা তখন বলে, “তুই আগুন নিয়ে খেলছিস আর সেই আগুনেই পুড়ে মরবি। এবার আমার তার কেটে গেছে। এবার শুধু দেখ তোর আমি কি অবস্থা করি।”
অন্যদিকে পর্ণাকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে সৃজন। হাঁটতে হাঁটতে প্রায় গাড়ির সামনেই এসে পড়েছিল সে, পর্ণা সৃজনকে আরও একবার রক্ষা করে। এরপর তারা বাড়ি ফিরে আসে। বাড়ি ফিরতে কৃষ্ণা আবারো সবকিছুর দায় পর্ণার উপর চাপিয়ে দিতে চেষ্টা করে। কিন্তু এইবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় পর্ণার। সে বলে, “আপনাকে দেখে আমার হাসি পাচ্ছে। আসলে আপনি ইশার সাথে হাত মিলিয়ে সৃজনের যে ক্ষতিটা করতে চেয়েছিলেন সেটার জন্য আপনি এখনো নিজেকে অপরাধী ভাবেন। তাই বারবার আপনি নিজের জায়গায় আমাকে টেনে নামাতে চান। কারণ যতবার সৃজন বিপদে পড়েছে আমি সৃজনের পাশে থেকেছি আর ওকে সমস্ত কিছু থেকে উদ্ধার করেছি। আর সৃজনও আমাকে আঁকড়ে ধরেছে।”
সে আরো বলে, “এটাই আপনি সহ্য করতে পারছেন না যে, এত কিছুর পরেও এই মেয়েটা ঠিক সৃজনের পাশে থেকে গেছে। আর আমার যদি সংসার ভাঙারই হতো তাহলে সেটা আমি অনেক আগেই করতে পারতাম। আপনি এতবার ওকে উস্কে আমার বিরুদ্ধে পাঠাতে চেয়েছেন আমি তাও ওর পাস ছাড়িনি। এটা আপনি মেনে নিতে পারছেন না।” উচিত কথাগুলো শুনে মুখ বন্ধ হয়ে যায় কৃষ্ণার। এসবের পর নিজের দোষেই হীনমন্যতায় ভুগতে থাকে সৃজন। বাড়িতে সবার কাজ আছে শুধু তার নেই, এটা ভেবে শেষ হয়ে যায় সে।

