এত ঘটনার পরেও সূর্যকে নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করছে দীপা! আত্মসম্মানী মেঘকে দেখে শেখা উচিত যোগ্য জবাব দেওয়া কাকে বলে! বলছেন নেটিজেনরা

এই মুহূর্তে জি বাংলা (Zee Bangla ) এবং স্টার জলসায় (Star Jalsha ) জমে উঠেছে একাধিক সব ধারাবাহিক। জি বাংলায় এই মুহূর্তে আসর কাঁপাচ্ছে ধারাবাহিক ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul) । অন্যদিকে স্টার জলসা অনুরাগের ছোঁয়াও (Anurager Chhowa) জমজমাট। যদিও সুদিন গেছে অনুরাগের ছোঁয়ার। অন্যদিকে স্লটলিড করতে না পারলেও বেশ ভালোই জমে উঠেছে ইচ্ছে পুতুল।
বলাই বাহুল্য এই দুই ধারাবাহিকের খলনায়িকারা কিছুটা এক গোত্রীয়। মানে দুজনেরই নজর দুই বিবাহিত পুরুষের উপর। একজনের নজর বোনের স্বামীর দিকে। অন্যজনের নজর নিজের প্রিয় বন্ধুর দিকে।একজন হলেন স্টার জলসার অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকের খলনায়িকা মিশকা। অন্যজন ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকের খলনায়িকা ময়ূরী।

অনুরাগের ছোঁয়া ধারাবাহিকের খলনায়িকা মিশকা নিজের বেস্ট ফ্রেন্ড সূর্যকে ভালোবাসে আর তাই সূর্যকে পাওয়ার জন্য সে যে কোনও মূল্য চোকাতে প্রস্তুত। আর ইচ্ছে পুতুলে নায়িকা মেঘের দিদি হচ্ছে ময়ূরী। আপন মায়ের পেটের বোনের সঙ্গে সে এমন ব্যবহার করে যা কোন শত্রুও কারর সঙ্গে করতে পারে না। যদিও শয়তানি বুদ্ধিতে ময়ূরীকে ১০ গোল দেবে মিশকা।
কিছুদিন আগেই সূর্যর কাছে মিশকার আসল চেহারা প্রকাশ্যে চলে আসে। কিন্তু সূর্যর কিছু করার নেই। সূর্যর স্পার্ম নিয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ছেলের জন্ম পর্যন্ত দিয়ে দিয়েছে মিশকা। ব্যস ছেলে জন্মাতেই বংশধর আসতেই কেমন যেন বদলে গেছে সূর্য আর তার মা। অন্যদিকে আবার দীপার জীবনে এসেছে নতুন পুরুষ অর্জুন। আবার সূর্যের অবিশ্বাস শুরু। আর এখানেই দীপার সঙ্গে মেঘের পার্থক্য।

মেঘ কিন্তু সৌরনীলের এর কাছে অপমানিত হওয়ার পর আর তার জীবনে ফিরে যাওয়ার কোন চেষ্টা করেনি। সে অনেক বেশি প্রতিবাদী, অন্যায়ের সঙ্গে আপোষহীন। সে চায়না এমন মানুষের সঙ্গে থাকতে যে তাকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু দীপা এখনও চায় সূর্যের জীবনে ফিরতে। আর তাই সে এখনও আশা রাখে সূর্যর ওপর।
কিন্তু মেঘ কোনরকম আশা রাখে না সৌরনীলের থেকে। আর তাই মেঘের দিদি ময়ূরী তাকে তার এবং সৌরনীলের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও দেখালেও তা অতটা গভীরভাবে দাগ কাটে না মেঘের মনে। হয়ত অনেকাংশে সে বিশ্বাস করে সৌরনীল এমন কাজ করতে পারে না।

আর এখানেই মেঘ দীপাকে হারিয়ে দিয়েছে।দীপা কৈফিয়েত চাইতে সূর্যের ঘরে আসে। আর দীপা আসছে দেখে মিশকা মাতাল সূর্যের সুযোগ নিয়ে সূর্যের বুকে মাথা রেখে একই বিছানায় শুয়ে পড়ে। আর ঠিক সেই সময় ঘরে ঢুকে পড়ে দীপা। এমন দৃশ্য দেখার পর কিছুক্ষণের জন্য দীপা থম মেরে যায়। তার মাথা কাজ করে না।

এরপর সেই ঘর থেকে বেরিয়ে সে প্রচণ্ড কান্নাকাটি করতে থাকে। সেনগুপ্ত বাড়ি ছেড়ে নিজের বাড়িতে চলে এসে সে জিনিসপত্র ভাঙাচোরা করতে থাকে। কিন্তু কেন? সূর্যের এহেন আচরণ তো পূর্ব থেকেই চলছে। তাহলে তার থেকে এখনও কিসের আশা রাখে দীপা? কেনই বা সে ছাড়তে পারছে না সূর্যকে? এইরকম একটা সম্পর্ককে বয়ে নিয়ে চলার কি মানে? যার কাছে মূল্য নেই, সম্মান নেই তার কাছে থাকার কি মানে? আর এখানেই মেঘ দীপাকে হারিয়ে দিয়েছে বলছেন নেটিজেনরা।

