“ময়ূরীকে চর মেরে খুব খুশি হয়েছি!” মেঘ-নীলকে কাছাকাছি আনা আমার দায়িত্ব! সঠিক মানুষ চিনে কী বললেন মীনাক্ষী গাঙ্গুলী?

এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) পর্দায় যে ধারাবাহিকটি ধারাবাহিকভাবে দর্শকদের মনোরঞ্জন করে চলেছে সেই ধারাবাহিকটির নাম ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul) । বাংলা টেলিভিশনপ্রেমীদের কাছে এখন এই ধারাবাহিকটি দারুণ রকম ভাবে জনপ্রিয়। আর যে কাঙ্ক্ষিত পর্বটি দেখার জন্য দর্শকরা এতদিন যাবৎ উদগ্রীব ছিলেন, অবশেষে সেই পর্বটি তারা দেখে ফেলেছেন।
তবে শুধুমাত্র কী দর্শকরা এই পর্বটি দেখার জন্য উদগ্রীব ছিলেন? আজ্ঞে না! অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও কিন্তু এই পর্বটির জন্য সমানভাবে উৎসাহী ছিলেন। এই যেমন সৌরনীলের মা মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করা বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাশ্বতী গুহঠাকুরতা। মানুষ চেনার দোহাই দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি অন্যায়-অবিচার করে গেছেন মেঘের সঙ্গে।
মিথ্যেবাদী ময়ূরীর কথাকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি দর্শকদের চোখে ভিলেনে পরিণত হয়েছিলেন। দর্শকরা তাকে একেবারেই সহ্য করতে পারছিলেন না। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে এই চরিত্রে অভিনয়ের জন্য রীতিমতো গালাগালি শুনতে হয়েছে। শাশ্বতী দেবীকে বাঙালি দর্শক এর আগে সদাই পজিটিভ চরিত্রে দেখেছেন। আর তাই তাকে নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করতে দেখে দর্শকরা নিজেদের রাগ সংবরণ করতে পারেননি।
আর তাই অবশেষে মীনাক্ষী গাঙ্গুলী নিজের ভুল বুঝতে পেরে ময়ূরীকে থাপ্পড় মেরে যেই না শুধরে গেছেন, ভীষণ খুশি হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী শাশ্বতী গুহঠাকুরতা। আর তাকে খারাপ চরিত্রে অভিনয় করতে হবে না এটাই তার শান্তি। অভিনেত্রী অকপটে বলেন একজন ডাক্তার হয়ে এমন বোকা কি করে হতে পারে, সেটাই বুঝে উঠতে পারতাম না।
একইসঙ্গে অনুনয়ের সুরে অভিনেত্রীর মন্তব্য আমি পর্দায় অভিনয় করি মাত্র। আমি কিন্তু বাস্তব জীবনে মানুষটা ভালো। সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রীর কথায় সায় দেন মেঘ ‘তিতিক্ষা দাস’ এবং সৌরনীল ‘মৈনাক ব্যানার্জি।’ এরপর মেঘ অর্থাৎ অভিনেত্রী তিতিক্ষা দাস যখন বলেন, মেঘ যে কবে ময়ূরীকে একটা থাপ্পড় মারতে পারবে! হাসতে হাসতে পর্দার মীনাক্ষী বলে দেন, তোর হয়ে থাপ্পড়টা আমি মেরে দিয়েছি! ময়ূরীকে চড় মেরে ভীষণ খুশি হয়েছি। এরপর দর্শকদের উদ্দেশ্যে অভিনেত্রী বলেন আপনারা আমার জন্য প্রার্থনা করবেন যেন আমাকে আর খারাপ না হতে হয়।

