মধুবালার বাবাকে চরম অপমান করা হত মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে, পরাগ পলাশের মতোই ছিল তাদের বাবা!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকটি আরো বেশি বাস্তববাদী হয়ে উঠছে। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে।

জি বাংলায় সম্প্রচারিত এই ধারাবাহিকটি একদম প্রথম দিক থেকেই সমাজের আয়না হয়ে দর্শকদের কাছে নিজেদেরকে উপস্থাপন করে চলেছে। আমাদের সমাজে নারীর উপর নির্যাতন ছাড়াও আরো একটি বিষয় ভীষণভাবে পরিলক্ষিত হয়। আর সেটা হলো কন্যার সাথে সাথে তার পরিবারের মানুষজনদের প্রতি অবহেলা।

শিমুল শশুর বাড়িতে এসেই বুঝতে পেরেছিল তার বাপের বাড়ির মানুষজনকে খুব একটা সম্মান দেওয়া হবে না এই বাড়িতে। আর সেটাই বারবার হয়ে এসেছে। কিন্তু এই দিন মধুবালা নিজে শিমুলের বাড়ির লোকজনদের জন্য কেনাকাটা করলে শিমুলের মন আনন্দে ভরে ওঠে।

মধুবালা শিমুলকে বলে, তার বাবা যখন তার মেয়ের সাথে দেখা করতে এই বাড়িতে আসতেন তখন তাকে সহ্য করতে হতো একরাশ অপমান। এই পরিবারের জন্য সারাদিন রাত খেটেও কখনো তার নামে দুটো ভালো কথা বলা হয়নি তার বাবাকে। উল্টে খালি দূর ছাই করেছে মধুবালার শ্বশুর বাড়ির লোকজন। যার ফলস্বরূপ মধুবালার বাবা আর আজকের না তার মেয়ের বাড়ি।

এই দিনের পর্বে পরাগ আর পলাশ যখন তার মা এবং বউয়ের ওপর অন্যায্য হুকুম জারি করে, তখন মধুবালা বলে, তার দুই ছেলের মধ্যে তাদের বাবাকে খুঁজে পাচ্ছেন তিনি। কারণ রক্ত কথা বলে। ছোটবেলা থেকে নিজের বাবাকে ঠিক যেমন ভাবে দেখে এসেছে, বড় হয়ে ছেলেরা তো সেটাই শিখবে। কিছু ব্যতিক্রম থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমনটাই দেখা যায় আমাদের সমাজে। তাই পরাগ আর পলাশের এই শয়তান মনোবৃত্তির জন্য পুরোপুরিভাবে তাদেরকে দোষারোপ করতে পারছেন না দর্শক মহল। তবে আজও যে ঘরে ঘরে এমনটাই ঘটে চলেছে সেটাই আমাদের সমাজের পিছিয়ে থাকার নিদর্শন।

Back to top button