মায়ের সামনেই কুলাঙ্গার ছেলে পরাগ পলাশকে মারতে ত্রিশূল হাতে ছুটে এলো শিমুল! আজকের পর্বে অসুর বিনাশ শিমুলের!

জি বাংলা (Zee Bangla) চ্যানেলে সম্প্রচারিত একটি অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা (Kar kache koi moner kotha)। ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের চরিত্রে রয়েছেন মানালি দে এবং নায়ক পরাগের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে দ্রোণ মুখোপাধ্যায়কে। যত দিন যাচ্ছে ধারাবাহিকটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে দর্শকমহলের কাছে।

কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা মেয়েদের কেবলমাত্র ভোগ্যবস্তু বলে মনে করেন এবং সব সময় নিজের পায়ের নিচে রাখতে পছন্দ করেন। এই জিনিসটা একটা মানসিক রোগ বলা চলে। যেটা কোন শিক্ষা কোন সংস্কৃতি বদলাতে পারে না। ঠিক এমনই একটি দোষে দুষ্ট কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের স্বামী পরাগ এবং দেওর পলাশ।

শিমুল বহুবার তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছে ধমকেছে পুলিশ, ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট প্রভৃতি উচ্চ পদস্থ মানুষজনের কাছে অব্দি গিয়েছে। সবই প্রয়োগ করেছে সে তবুও ফল বিশেষ কিছু পায়নি শিমুল। কারণ তাদের মানসিকতা পরিবর্তন করার ক্ষমতা কারো নেই। তাই এইবার নিজেই তাদের শাস্তি দিতে উদ্যত হলো শিমুল।

এ দিনের পর্বে দেখা যায় যখন পরাগ আর পলাশ মিলে শিমুলের শাশুড়ি মা এবং নিজের মা এই দুজনকে অকথ্য ভাষায় নোংরা নোংরা কথা বলে নোংরা মন্তব্য করে তখন শিমুল আর চুপ থাকতে পারেনি। সে তার শাশুড়ি মা কে বলেছে এমন ছেলে থাকার থেকে না থাকা অনেক ভালো। এরা সমাজের জঞ্জাল।

তাই এবার জঞ্জাল সাফ করতে অর্থাৎ পরাগ আর পলাশকে শাস্তি দিতে নিজেই লাঠি নিয়ে তাদের দিকে তেড়ে আসে শিমুল। এসব দেখেও মধুবালা কিছুই বলে না তাকে উল্টে শিমুলকে দেবী রূপে কল্পনা করে সে। শিমুলের এই রুদ্র মূর্তি তার চোখে দেবী দুর্গার সেই আক্রোশ ভরা রূপের মতনই মনে হয় মধুবালার। সমাজের প্রত্যেকটি মেয়ের মাঝেই একজন করে মা দুর্গা বসবাস করে। আরো একবার তারই প্রমাণ পেল মধুবালা।

Back to top button